

সংবাদ আবির্ভাব : তৃণমূলের মদতপুষ্ট মা মাটি মানুষের অগ্নিকন্যার তৃণমূলের মদতপুষ্ট মা মাটি মানুষের অগ্নিকন্যার আশীর্বাদ প্রাপ্ত তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী নেতা মুখেশ শর্মা আইনজীবির গায়ে হাত তোলেন একাধিক বার হাত তোলেন প্রাণে মেরেফেলার চেষ্টাও করে যাচ্ছেন, ব্যাংক এর কাছে সমস্ত কাজ করতে আনুমুতি দিয়ে এগ্রিমেন্ট পেপারে স্বাক্ষর করেন, কমেনি মজুমদারের ছেলের নারান মজুমদার, সেখানে হাইকোর্ট এ স্যালারি পাননি নারান বাবু যিনি বিয়ে করেন নি নকল বৌ সাজিয়ে প্রথমে রেলের পি পি ও বই তে নাম তোলেন প্রতি মাসে ১২,৯০০টাকা বেতন পেতেন সেখানে টাকা তুলতে মেয়ে সাজে শিপ্রা মজুমদার, শান্তু মজুমদার, আধার কার্ডে সন্তো মজুমদার এর ফোনের লিংক করে টাকা তলেন, সেখানেও তারা থেমে থাকেন নি বোকা সেজে থাকেন সানুই সমবায় ব্যাংকে বই এ স্ত্রী সাজেন শ্যামল মজুমদারের স্ত্রী, সেখানে পাস বই এ ১২,৮০০টাকা আছে বলে জানায় ব্যাংক ম্যানেজার, পরে জানতে পারা যায় ২টো ফিক্সড ডিপোজিট পেপার করে রাখেন শ্যামল বাবুর স্ত্রী, আইনের দ্বারস্থ হয় অ্যাডভোকেট কল্যাণ ময় রায়,/শামীক বাগচী / সেখ সাহিল /বিষ্ণু দাস এর কাছে, সেখান থেকে টাকা তুলে আইনের ফিস বাবদ ৩,০০০ বর্ধমান কোর্টে +২,ooo আধর লিংক,পানকার্ড লিংক, ব্যাংকে টিনি একাউন্ট থেকে রেগুলার একাউন্ট এ টাকা জমাদেন ১৫০০+১৫০০ টাকা। ব্যাংক ম্যানেজার তাড়িয়ে দেয় শিপ্রা মজুমদার কে, তারপর আইনের সাহায্য নিয়ে বই টা রেগুলার বই করেন, প্রতি নিয়ত জেঠু নারান মজুমদার কে অত্যাচার করে, রেলের পিপি ও বই ইস্যু হয় কিন্তু নমিনি থাকেন শ্যামল মজুমদার এর স্ত্রী, পি পি ও অফিস থেকে ডাকলে ফোন রিচার্জ নেই বলে সেই ফোন ব্যবহার, ভোটার কার্ড হরিয়ে গেছে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অরিজিনাল পেপার জমা দেয় শিপ্রা মজুমদার, তার প্রত্যেয় কপি নেন, মেমারি ই র ও ডাকেন ফাল্গুনী মুখার্জি, তাঁদের কেও ভিডিও ফুটেজ তোলেন, এবং ঝামেলা করেন শ্যামল বাবুর মেয়ে, ছেলেরা, যারা মাদক নেশায় সব সময় থাকে, এখানে প্রতি নিয়ত নিজেরা ভুল করছেন আইনজীবী দের দোষ দিচ্ছেন, তাদের সাপোর্ট করছেন মুখেশ শর্মা, তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের জর্জ এর সামনে হুমকি দেয় এই মুখেশ শর্মা, কি করে কলেজে চাকরি পেলো উত্তর দিতে পারবে তো? মিথ্যা মামলায় মেমারি কলেজের উপচার্জ কে শ্লীলতা হানি কেস দিয়ে কি করেছেন আমরা সবাই জানি, আর কতদিন এই নোংরামো চালাবে মেমারি বিধানসভা ২৬৫এর নেতা রা, ওনারাই আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন ওনারাই বিচারক হচ্ছেন কোন দেশে আমরা বাসকরছি? পুলিশ এর তৎপরতায় রিকভারি করেছেন আইনজীবী আনন্দ ময় রায় কে আশীর্বাদ প্রাপ্ত তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী নেতা মুখেশ শর্মা আইনজীবির গায়ে হাত তোলেন একাধিক বার হাত তোলেন প্রাণে মেরেফেলার চেষ্টাও করেযাচ্ছেন, ব্যাংক এর কাছে সমস্ত কাজ করতে আনুমুতি দিয়ে এগ্রিমেন্ট পেপারে স্বাক্ষর করেন কমেনি মজুমদারের ছেলের নারান মজুমদার, সেখানে হাইকোর্ট এ স্যালারি পাননি নারান বাবু যিনি বিয়ে করেন নি নকল বৌ সাজিয়ে প্রথমে রেলের পি পি ও বই তে নাম তোলেন প্রতি মাসে ১২৯০০টাকা বেতন পেতেন সেখানে টাকা তুলতে মেয়ে সাজে শিপ্রা মজুমদার, শান্তু মজুমদার, আধার কার্ডে সন্তো মজুমদার এর ফোনের লিংক করে টাকা তুলেন, সেখানেও তারা থেমে থাকেন নি বোকা সেজে থাকেন সানুই সমবায় ব্যাংকে বই এ স্ত্রী সাজেন শ্যামল মজুমদারের স্ত্রী, সেখানে পাস বই এ ১২৮০০টাকা আছে বলে জানায় ব্যাংক ম্যানেজার, পরে জানতে পারাযায় ২টো ফিক্সড পেপার করে রাখেন শ্যামল বাবুর স্ত্রী, আইনের দ্বারস্থ হয় অ্যাডভোকেট কল্যাণ ময় রায়,/শামীক বাগচী / সেখ সাহিল /বিষ্ণু দাস এর কাছে, সেখান থেকে টাকা তুলে আইনের ফিস বাবত ৩০০০ বর্ধমান কোর্টে+২ooo আধর লিংক,পানকার্ড লিংক, ব্যাংকে টিনি একাউন্ট থেকে রেগুলার একাউন্ট এ টাকা জমাদেন ১৫০০+১৫০০টাকা টাকা, ব্যাংক ম্যানেজার তাড়িয়ে দেয় শিপ্রা মজুমদার কে, তারপর আইনের সাহায্য নিয়ে বই টা রেগুলার বই করেন, প্রতি নিয়ত জেঠু নারান মজুমদার কে অত্যাচার করে, রেলের পিপি ও বই ইস্যু হয় কিন্তু নমিনি থাকেন শ্যামল মজুমদার এর স্ত্রী, পি পি ও অফিস থেকে ডাকলে ফোন রিচার্জ নেই বলে সেই ফোন ব্যবহার, ভোটার কার্ড হরিয়ে গেছে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অরিজিনাল পেপার জমা দেয় শিপ্রা মজুমদার, তার প্রত্যেয় কপি নেন, মেমারি ই র ও ডাকেন ফাল্গুনী মুখার্জি, তাঁদের কেও ভিডিও ফুটেজ তোলেন, এবং ঝামেলা করেন শ্যামল বাবুর মেয়ে, ছেলেরা, যারা মাদক নেশায় সব সময় থাকে, এখানে প্রতি নিয়ত নিজেরা ভুল করছেন আইনজীবী দের দোষ দিচ্ছেন, তাদের সাপোর্ট করছেন মুখেশ শর্মা, তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের জজ এর সামনে হুমকি দেয় এই মুখেশ শর্মা, কিকরে কলেজে চাকরি পেলো উত্তর দিতে পারবে তো, মিথ্যা মামলায় মেমারি কলেজের উপচার্জ কে শ্লীলতা হানি কেস দিয়ে কি করেছেন আমরা সবাই জানি, র কতদিন এই নোংরামো চালাবে মেমারি বিধানসভা ২৬৫এর নেতা রা, ওনারাই আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন ওনারাই বিচারক হচ্ছেন কোন দেশে আমরা বাসকরছি, পুলিশ এর তৎ পরতায় রেকভারি করেছেন আইনজীবি আনন্দ ময় রায় কে