
সংবাদ আবির্ভাব : আইপ্যাক এর অফিসে হঠাৎ ইডির হানায় রাজ্য জুড়ে তোলপাড়, তার চেও বড় কথা তদন্তে বাঁধা সৃষ্টি করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। এই ঘটনায় বিরোধীরা মমতা ব্যানার্জীকে গ্রেপ্তার করা কেন হলো না সেই প্রশ্ন তুলছেন। ইতি মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে, এই নিয়ে হাইকোর্ট বলে দিয়েছে ইডি র তদন্ত র ওপর কোনো নির্দেশ তারা দেবেন না। অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি তে জানান, ই.ডি, সি.বি.আই স্বাধীনভাবে , নিরপেক্ষতা ও উৎকর্ষতার সঙ্গে কাজ করবে, এই লক্ষেই কংগ্রেস এইসব স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই দেশের বুকে তৈরি করেছিলো। কিন্তু এখন আমরা লক্ষ করছি নির্বাচন আসলেই ই.ডি, সি.বি.আই তৎপর হয়ে ওঠে কিন্তু নির্বাচন মিটলেই তারা শীতঘুমে চলে যায়। আজকের ই.ডি তল্লাশিও সেই পরিকল্পিত চিত্রনাট্য ছাড়া আর কিছু নয়।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন আসন্ন তাই মোদি সরকার এসব তৎপরতার মাধ্যমে দেখাতে চাইছে যে, বিজেপি তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কতটা সরব! কিন্তু এই চোর-পুলিশ খেলা বাংলার মানুষ ধরে ফেলছেন।
এ বিষয়ে আমাদের আরো বক্তব্য এই যে, আই-প্যাকের মতো একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ই.ডি যখন তল্লাশি চালাচ্ছিলো, তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে কোন কারণে সেখানে ছুটে গেলেন? শুধু তাই নয়, ই.ডি র সামনে থেকে উনি কীভাবে, কোন নিয়মে আই প্যাক সংস্থার অফিস থেকে ফাইল নিয়ে বেড়িয়ে আসলেন?৷ যদি এটা সত্য হয় তবে, ই.ডি চুপচাপ হাত গুটিয়েই বা বসে রইলো কেন? তারমানে কী পুরোটাই সেটিং- এর রাজনীতি নয়?
আজকের ই.ডি’ র তল্লাশি এবং ঘটনা পরম্পরা এটাই প্রমাণ করে যে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও বিজেপির বাইনারি রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে এবং মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার লক্ষেই দিদি-মোদির পরিকল্পিত চিত্রনাট্য রচিত হয়েছে।
আগামী দিনে এই পুরো ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয় সে দিকে আমাদের নজর থাকবে। আপনাদের নজর থাকুক সংবাদ আবির্ভাব চ্যানেল ও ই নিউজ পেপারে।