কার দোষ সায়নের না শুধু ওয়েটারের??

Spread the love

সংবাদ আবির্ভাব : কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়, কারন সায়নকে ইচ্ছা কৃত ভাবে বিফ খাওয়ানো হয়েছে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা সংবাদ করেন তারও ঘেও ঘেও করতে শুরু করে দিলো তার কারন ভিউস পেতে হবে, একটা সুযোগ এসেছে চলো যাপিয়ে পড়ো। বাংলায় এই সোশ্যাল মিডিয়া খুব বাজে দিকে চলে যাচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন। যাইহোক আসল কথায় আসা যাক, অত ধার্মিক হলে অলিপাবের যাওয়া কেন? অলিপাবের নাম শুনলেই কলকাতার ভোজনরসিকরা একনামে চেনে তাদের ‘বিফ স্টেক’-এর জন্য। এটা কোনো গোপন তথ্য নয়। পার্ক স্ট্রিটের অধিকাংশ রেস্তোরাঁতেই এই আইটেম পাওয়া যায়। ​যিনি নিজেকে এত বড় ‘ব্রাহ্মণ’ ও ধার্মিক বলে দাবি করছেন, তিনি কি জানেন না তিনি কোথায় খেতে গিয়েছেন? জেনেশুনে এমন জায়গায় গিয়ে, তারপর ধর্মের দোহাই দিয়ে সিনক্রিয়েট করাটা কি দ্বিচারিতা নয়?

​এতই যখন বাছবিচার, তখন মেনু না দেখে বা রেস্তোরাঁ সম্পর্কে খোঁজ না নিয়ে যাওয়াটাই তো ধর্মের অপমান! দোষটা কি শুধুই ওয়েটারের?

অলিপাবে বিফ পাওয়া যায়, এটা তো বাচ্চাও জানে! ইনফ্যাক্ট পার্ক স্ট্রিটের প্রচুর রেস্তোরাঁতেই পাওয়া যায়। অত ধার্মিক হলে তুমি জেনে-বুঝে সেসব জায়গায় গেলে কেন? যেখানে নিষিদ্ধ খাবার তৈরি হয়, সেখানে গিয়ে খেয়ে পরে ধর্মের দোহাই দেওয়াটা কি ধর্মের অপমান নয়?
​ধর্ম বাঁচানো যদি এতটাই জরুরি হয়, তবে জায়গা চিনে যাওয়া উচিত ছিল।

রেস্টুরেন্টের দোষ অবশ্যই আছে, কিন্তু তার থেকেও বড় দোষ তাদের, যারা নিজেদের হিন্দু বলে দাবি করেন অথচ জেনেশুনে বিফ বিক্রি হয় এমন দোকানে খেতে যান।

​একবারও ভেবে দেখেছেন?
যে কড়াইতে বিফ রান্না হচ্ছে, হয়তো সেই কড়াইতে বা সেই হাতা দিয়েই আপনার মাটন তোলা হচ্ছে। বাসনপত্র ধোয়া হচ্ছে একই জায়গায়। তাই যারা এসব জায়গায় খান, তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ওই নিষিদ্ধ খাবারই খাচ্ছেন।

​ধর্ম যদি মানতেই হয়, তবে ওইসব রেস্টুরেন্টে যাওয়াই উচিৎ নয়। জেনেশুনে বিষপান করে পরে কান্নাকাটি করাটা হাস্যকর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *