

সংবাদ আবির্ভাব : রাজ্য জুড়ে SIR শুনানি পর্বে হয়রানি ও মৃত্যু মিছিল নিয়ে সিইও দপ্তরে অভিযান। যাকে ঘিরে বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে ধুন্ধুমার বাধল কংগ্রেসের। প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নেতৃত্বে গতো কাল অভিযান হয়। সিইও দপ্তরের সামনে পৌঁছতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে। সেখানেই অবস্থানে বসেন শুভঙ্কর সরকার। ছিলেন রাজ্য মহিলা, যুব ও ছাত্র সংগঠনের বহু কর্মী সমর্থক। শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভকে অশান্ত করে তোলে মমতার দালাল পুলিশ। আর তারপরেই পুলিশের সঙ্গে সেখানে ধস্তাধস্তি বেধে গেলে সিইও দপ্তরের সমস্ত গেট বন্ধ করে কংগ্রেস নেতা-নেত্রীদের গ্রেফতার করে, গ্রেপ্তার করা হয় শুভঙ্কর সরকারকেও। শুভঙ্কর সরকারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশের গাড়ির সামনে বসে পড়ে। কর্মীদের এই আবেগ চোখের পড়ার মতো। আর এই আবেগকে কুনালরা ভয় পেয়েছে। তাই ব্যঙ্গত কথা বলে বিষয়টাকে হালকা করার চেষ্টা করা হয়েছে। শুভঙ্কর সরকার সহ প্রায় ৯০ জন কংগ্রেস কর্মীদের গ্রেফতার করে লালবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যেই কমিশনের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি লিখে হয়রানি বন্ধের দাবি জানান প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। সঙ্গে শুনানিতে ডাকার পরবর্তী ফলাফলও ভোটারদের জানানোর দাবি তোলা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই তৃণমূলের সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা আসামি কুনাল ঘোষ বলেন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় সোমবার কড়া রায় দিয়েছে, কমিশনকে ভোটারদের স্বার্থে নানাবিধ নির্দেশিকা মানতে বলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে তার পরের দিন নতুন করে কংগ্রেসের বিক্ষোভ এভাবে দেখানো ঠিক নয় একটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে নেমেছে। হয়তো আগে থেকে ঘোষিত একটা কর্মসূচির জন্য তাদের সব ব্যবস্থাপনা গাড়ি মাইকের দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। টিফিনেরও একটা খরচ থাকে। সেখান থেকেই হয়তো এই কর্মসূচি করতে তারা বাধ্য হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের বিশিষ্ট কিছু মানুষ তারা বলছেন কোনাল একটা চোর ওর কথা কেন তুলে ধরেন? পুরো বাংলাটাকে শেষ করে ছাড়লো।

