
কুমারজিৎ : আমি কর্মসুত্রেদীর্ঘদিন বিভিন্ন ভিনরাজ্যে হিন্দিভাষী দের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। যেটুকু জেনেছি তারা নিজেদের সন্মানীয় কাউকে যেমন জী সম্বোধন করে তেমনি সন্মানীয় বাঙালিদের নামের সাথে দা বা দাদা যোগ করে। যেমন সলিল দা, প্রণব দা ইত্যাদি। সৌরভ গাঙ্গুলি তো সারা ভারতের দাদা ছিলেন! তেমন মিঠুন চক্রবর্তী তো সবার দাদা। কাজেই বঙ্কিম চন্দ্রকে দাদা বলার মধ্যে তাকে সম্মান দেওয়ায় হয়েছে। মনে রাখতে হবে যারা এর সমালোচনা করছেন মোদিজী তাদের মতো বাংলা ভাষার বিশেষজ্ঞ নন। মুস্কিল হোল নরেন্দ্র মোদিজী যখন নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, বঙ্কিম চন্দ্র (আগে তো এনারা অবহেলিত ছিলেন) এই সব শ্রদ্ধেয় মানুষদের সন্মান জানান তখন আমাদেরই একটা অংশের বাঙালিরা তার মধ্যে ভুল ত্রুটি খুঁজতে থাকি,যে অপসংস্কৃতির ধারক ও বাহক মুলত বামপন্থীরাই,এই আপাদমস্তক দেশবিরোধি দলটিই কিছু বস্তা পচা বিদেশি সংস্কৃতি কথা মতবাদ পরিপুষ্ট হয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি বিনষ্ট করে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস স্বামী বিবেকানন্দ ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের মত বরেণ্য মনীষীদের ক্রমাগত নোংরা ভাষা ব্যবহার করে হেয় করার চেষ্টা করে গেছে, কিন্তু কথায় আছে পাপ বাপকেও ছাড়ে না, ভাই এরা পশ্চিমবঙ্গে তথা ভারতবর্ষে বিলুপ্ত হতে চলেছে এদেরই একটা চরমপন্থী অংশ মাওবাদী নামে দীর্ঘদিন যাবত এই দেশের অভ্যন্তরে অসংখ্য গ্রামবাসী এবং দেশের বীর সৈন্যবাহিনীকে বিনা কারণে হত্যা করেছে কিন্তু আজ তারা বাস্তবিক অর্থেই বিলুপ্তির পথে ১১৬ টা জেলা থেকে এদের গতিবিধি মাত্র দুটো জেলায় এসে থেকেছে তাও শেষের মুখে,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহার নির্দেশে ২০২৬ এর মার্চের মধ্যে ভারতকে মাওবাদী মুক্ত করতে হবে এই দেশে আর মাওবাদীদের নামগন্ধও খুঁজে পাওয়া যাবে না, আর আমি মনে করি আগামী কিছুদিনের মধ্যে মানে কয়েকটা বছরের মধ্যে এই তথাকথিত বামপন্থীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না ৷৷ আর তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী কি ভাবে মানুষকে সম্মান করতে হয় সেই বোধ টুকুই নেই, বাঙালী জাতির কলঙ্ক। তাই ওনার কথা যতো কম বলবেন ততোই ভালো।