
সঞ্জয় কুমার দলুই,
শনিবার হাওড়া টাউন হলে এক অনন্যসাধারণ অভিনব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। অনুষ্ঠানে শুরু থেকে শেষ অবধি উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ স্বামী বিবেকানন্দ ইউনিভার্সিটির রেজিস্টার স্বামী কালেশানন্দজী মহারাজ। তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীমা সারদা এবং স্বামী বিবেকানন্দের অমৃতকথার ব্যাখ্যা করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত শত শত কন্ঠে বন্দেমাতরম গান পরিবেশিত হয়,পরিবেশিত হয় শত শত কন্ঠে বেদ গান এবং গীতা পাঠ। তারপর শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীমা,এবং স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রবি ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের গান,দেশাত্মবোধক গান শত কন্ঠে গাওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ভারতীয় যোগ চর্চা দিয়ে নৃত্য পরিবেশিত হয়।সমগ্র অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন বেলুড় মঠের ভাবাদর্শে গঠিত সাত্রাগাছি শ্রীশ্রী মা গোষ্ঠী,আত্মাণ্বেষন যোগ মন্দির এবং সুরবীর মিউজিক। এদিন এই এক অনন্যসাধারণ ভাব গম্ভীর আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থিত সকলের মনকে জয় করে নিয়েছিল।
এই অনুষ্টানে স্বামী কালেশানন্দজী মহারাজকে ঐ তিন সংস্থার পক্ষ থেকে এবং উপস্থিত শ্রোতৃমন্ডলীর পক্ষ থেকে শঙখ বাজয়ে,পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতেই তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীমা,এবং স্বামীজীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন এবং শতকন্ঠে প্রণাম মন্ত্রের মাধ্যমে।
তখন এক অনির্বচনীয় পরিবেশ-এর সৃষ্টি হয়।
এরপর বন্দেমাতরম গানের সৃষ্টির ইতিহাস ব্যাখ্যা সহ শত শত কন্ঠে গানটি গাওয়া হয়।মহারাজ সহ উপস্থিত সকলেই উঠে দাঁড়িয়ে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধার সাথে এই গান গাওয়া হয়।এরপর শুরু হয় বেদগান,গীতাপাঠ। শত শত কন্ঠের সাথে মহারাজও অংশ গ্রহণ করেন তাতে।উপস্থিত সকলেই অভিভুত হয়ে পড়েন।তারপর ভাষ্যপাঠ সহ রবীন্দ্রনাথের গান,শ্রীরামকৃষ্ণ,শ্রীমা,স্বামী বিবেকানন্দ -কে শ্রদ্ধা জানিয়ে শত শত কণ্ঠে গান গাওয়া হয়া হয়।হাওড়া কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা শিল্পীরা গানগুলি করেন।এরপর শুরু হয় যোগাভ্যাসের মাধ্যমে,যোগ নৃত্যানুষ্ঠান,সে এক অপূর্ব আঙ্গিকের উপস্থাপনা।অনুষ্ঠানে ওই তিন সংস্থার কথা বলেন সাত্রাগাছি শ্রীশ্রী মা গোষ্ঠীর (যা ২০১৫ সালে বেলুড় মঠের ভাবাদর্শে স্বামী ভবেশানন্দজী মহারাজ বেশ কয়েকজনকে নিয়ে তৈরী করেন) পক্ষে মৌসুমি মুখোপাধ্যায়,আত্মাণ্বেষন যোগ মন্দিরের পক্ষে মধুমিতা বোধক, সুরবীরের মিউজিকের পক্ষে সঙ্গীতশিল্পী সুবীর সেন।অনুষ্ঠানের শিল্পীরা ছিলেন জয়া ভট্টাচার্য, মিতালি মুখার্জি,ববিতা রায়,মৌসুমি মুখার্জি, মধুমিতা বোধক,শেলীরায়,
মীনা রায়,এলমি দাস, দীপঙ্কর দাস,দীপিকা পাড়ুই,সুতপা নন্দা,তপতী রায়,ব্রততী দাস,শিপ্রা মুখার্জি, সৃজনী মুখার্জি, রীতা,নিবেদিতা,কল্লোল মুখার্জি, পারমিতা, পার্বতী,কাকলি,কৃষ্ণা,রীতা,শুভ্রা, কলকাতার বিভোর-এর শিল্পীরা সহ শতশত শিল্পী বৃন্দ।সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায়