এবিভিপি-এসএফআই খণ্ডযুদ্ধে উত্তপ্ত যাদবপুর, ভাঙল গর্বের প্রতীক

Spread the love

সৌরভ দত্ত, সংবাদ আবির্ভাব,কলকাতা:
বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংগঠন ফেটসুর জেনারেল বডির বৈঠক  থেকে অশান্তি সূত্রপাত। অভিযোগ, অরবিন্দ ভবনে বৈঠক চলাকালীন আচমকা ডানপন্থী ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র জনা কয়েক সদস্য সেখানে ঢুকে হামলা চালায়। প্রশ্ন তোলা হয়, যেখানে ছাত্র সংগঠনই আর নেই, সেখানে কীসের জিবি বৈঠক? প্রশ্ন শুনে খেপে ওঠেন ফেটসুর সদস্যরা। পালটা অভিযোগ, তাঁরা এবিভিপি সদস্যদের মারধর করে। আক্রান্তরা ভর্তি হন পাশের হাসপাতালে। এই অশান্তি ঘিরে বৃহস্পতিবার সকালেই কর্মসূচির ডাক দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। পালটা মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করে এবিভিপি। দুপুরে দু’পক্ষের জমায়েত ও মিছিল থেকেই ছড়িয়ে পড়ে তুমুল উত্তেজনা। পরে এসএফআই সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পৌঁছলে তাঁদের লক্ষ্য করে ‘ডিম থেরাপি’ চলে বলে অভিযোগ।
সকাল থেকে এইট বি বাসস্ট্যান্ডের কাছে এবিভিপির কয়েকজন সদস্য জমায়েত করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের মূল কর্মসূচি ছিল গোলপার্ক থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত মিছিল। অন্যদিকে, দেবাঞ্জন দে-র নেতৃত্বে এসএফআইয়ের সদস্যরা এইট বি-তে জড়ো হন। তাঁরা সেখানেই স্লোগান দিতে থাকেন। দু’পক্ষের মিছিলে অশান্তি রুখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ প্রশাসনও। দুপুরে এবিভিপির মিছিল গোলপার্ক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে রওনা দিলে পুলিশ ঢাকুরিয়া ব্রিজের কাছে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। ব্যারিকেড ভেঙেই তাঁরা মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর থেকে অশান্তির আঁচ এবার বাইরেও। বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি ও এসএফআইয়ের পৃথক মিছিল ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে উঠল এলাকা।তার মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের নামাঙ্কিত প্রতীকের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তার চারপাশের  বলয়টি ভেঙে গিয়েছে। শোনা যায়, এই প্রতীক তৈরি করেছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু।
দুই ছাত্র সংগঠনের মিছিল মুখোমুখি হওয়ার উপক্রম হতেই পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। একদিকে, এইট বি-র সামনে এসএফআইয়ের জমায়েতে আটকে পড়েন রাজ্য সভাপতি দেবাঞ্জন দে, যুবনেত্রী দীপ্সিতা ধররা। অন্যদিকে, এবিভিপির মিছিলও ঢাকুরিয়া ব্রিজের কাছে পুলিশ আটকে দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে সদস্যদের একাংশ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আবার এইট বি-র কাছে সকাল থেকে জমায়েত হওয়া এবিভিপি-র কয়েকজন সদস্যততক্ষণে পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে পৌঁছে যান। তাঁরা সংগঠনের পতাকা ওড়ান। তার বিরোধিতা করেন বামপন্থী ছাত্রছাত্রীরা। এতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পরে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পৌঁছে যাওয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষের জেরে নামাঙ্কিত প্রতীকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এইট বি থেকে এসএফআই-ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে মিছিল করে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়ে। আবার এবিভিপির যে সদস্যরা এইট বি-তে ছিলেন, তাঁরা সরাসরি হেঁটে পৌঁছে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটের কাছে। গেটে উঠে নিজেদের সংগঠনের পতাকা তুলে ফেলেন। অন্যদিকে, এসএফআইয়ের কয়েকজন সদস্যও সেখানে পৌঁছে পতাকা তোলার বিরোধিতা করলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদে করে এআইডিএসও-ও। ফলে সবমিলিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে-ভিতরে বেশ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি হয়ে ওঠে।
বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি ও এসএফআইয়ের পৃথক মিছিল ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে উঠল এলাকা।তার মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের নামাঙ্কিত প্রতীকের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তার চারপাশের  বলয়টি ভেঙে গিয়েছে। শোনা যায়, এই প্রতীক তৈরি করেছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু।
দুই ছাত্র সংগঠনের মিছিল মুখোমুখি হওয়ার উপক্রম হতেই পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। একদিকে, এইট বি-র সামনে এসএফআইয়ের জমায়েতে আটকে পড়েন রাজ্য সভাপতি দেবাঞ্জন দে, যুবনেত্রী দীপ্সিতা ধররা। অন্যদিকে, এবিভিপির মিছিলও ঢাকুরিয়া ব্রিজের কাছে পুলিশ আটকে দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে সদস্যদের একাংশ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আবার এইট বি-র কাছে সকাল থেকে জমায়েত হওয়া এবিভিপি-র কয়েকজন সদস্যততক্ষণে পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে পৌঁছে যান। তাঁরা সংগঠনের পতাকা ওড়ান। তার বিরোধিতা করেন বামপন্থী ছাত্রছাত্রীরা। এতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পরে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পৌঁছে যাওয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষের জেরে নামাঙ্কিত প্রতীকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *