তৃণমূল কংগ্রেসের বোর্ড খোলা মামলা কলকাতা হাইকোর্ট কে দ্রুত বিবেচনার অনুরোধ জানালো সুপ্রিম কোর্ট

Spread the love

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে তৃণমূল কংগ্রেসের বোর্ড খোলা নিয়ে আবেদন ফেরাল। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ আবেদন ফিরিয়ে কলকাতা হাইকোর্টকে অনুরোধ করেছে, -‘যে যে প্রশ্ন উঠছে তার বিবেচনা দ্রুততার সঙ্গে করুক কলকাতা হাইকোর্ট।’ এদিন কালীঘাট পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, ”আমার লিজ নেওয়া ভবন, আমি সেখানে অফিস চালাই, আমার রেজিস্টার্ড পার্টির বোর্ড আমি রাখতে পারব না? ওরা আমার বোর্ড খুলে দিয়েছে কিন্তু পাশেই হলদিরামের বোর্ড খোলেনি। আমি যখন হাইকোর্টে যাই তখন আমার আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত এটা না দেখেই যে সত‍্যিই আমাকে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কি না।”এরপরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, -‘তাঁরা মামলাটি খারিজ করছেন এবং আবেদনকারীদের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন’। কলকাতা হাইকোর্টের কাছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে, -‘যে যে প্রশ্ন গুলো তোলা হচ্ছে সেগুলি যেন হাইকোর্ট বিবেচনা করে দেখে’। বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিবালের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত বিবেচনা করতেও বলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।সোমবার বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল: ”হাইকোর্ট বলেছে, সাইনবোর্ড ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই আর মামলা করার কোনও কারণ অবশিষ্ট নেই।”প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত: ”সাইনবোর্ড সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই যে আপনার অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে, তা নয়। আপনার দাবি গ্রহণযোগ্য হলে হাই মকোর্টকে আপনাকে বিষয়টি উত্থাপনের সুযোগ দিতে হবে।” আইনজীবী আরও বলেন – ‘হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই বলেছে যে আমার কোনও কেস দাঁড়ায় না। আমি হাইকোর্টের নির্দেশ দেখাতে পারি। এর মধ্যে সাইনবোর্ড সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেটা সরানোর আগে আমাকে নোটিস দেওয়া উচিত ছিল। কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি।” এরপর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন – ”আমরা সেটা বুঝতে পারছি।”আইনজীবী কপিল সিব্বল: ”নির্দেশে বলা হয়েছে, সাইনবোর্ড ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি সেটি পুনঃস্থাপনের আবেদন করছি। ২৬ অগাস্ট পুলিশকে জানানো হয়েছিল যে সাইনবোর্ড সরানোর জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজন। আমি হাইকোর্টে গিয়ে বলেছিলাম, আমাকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। হাইকোর্ট নোটিস দেওয়া হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করেনি। শুধু বলেছে, সাইনবোর্ড সরানো হয়ে যাওয়ায় আর মামলা করার কোনও কারণ অবশিষ্ট নেই। মামলাটি হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো যেতে পারে। আমাকে এই সমস্ত বিষয় উত্থাপনের অনুমতি দেওয়া হোক। এটি একটি নথিভুক্ত করা রাজনৈতিক দল। ভবনটিতে দলের নাম প্রদর্শিত ছিল এবং কোনও নোটিস ছাড়াই সেটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নাম তো এভাবে সরানো হয় না। কিন্তু আমার দলের নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।” এরপর সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ জানায় -”আমরা হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ করতে পারি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *