ত্রাণ বন্টন ও উদ্ধারকার্যে যুক্ত হতে হবে মন্ত্রী-বিধায়কদের, বন্যা নিয়ন্ত্রণে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

Spread the love

সৌরভ দত্ত, সংবাদ আবির্ভাব,কলকাতা :টানা বৃষ্টির জেরে একাধিক জেলায় বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। ব্যাহত স্বাভাবিক জনজীবন। বন্যা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নবান্ন সূত্রে খবর, বন্যা দুর্গত এলাকায় বুধবার রাতের মধ্যেই পৌঁছতে হবে বিধায়কদের, এমনটাই নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। বন্যা কবলিত এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদেরও অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু পরিদর্শন নয়, বিডিও অফিসে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করতে বলা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে বিধায়ক-মন্ত্রীদের।
পাশাপাশি পুজোর আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক ইনপুট এসেছে, তাই এখন থেকেই বাড়তি নজরদারির নির্দেশ। এলাকায় কোনও ধরনের অশান্তি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে দিকে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের।
উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের জেরে রবিবার গভীর রাত থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। সোমবার দিনভর ভারী বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া-সহ অন্যান্য জেলাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় হলদিয়া-সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। পশ্চিম মেদিনীপুরে নারায়ণগড়, মোহনপুর, দাঁতন কেশিয়াড়ির একাধিক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জলমগ্ন হাওড়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *