
সংবাদ আবির্ভাব, ১৩ জুলাই ২০২৬, কলকাতা :
বারুইপুর ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে সরব হওয়া CPI(M) নেতা লাহেক আলিকে “জনতাকে উস্কানি দেওয়া” সহ একাধিক ধারায় গ্রেফতার করার ঘটনার আমর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।
অন্যদিকে এই বারুইপুর কান্ডে বিজেপির তথাকথিত কোনো এক মন্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে যখন পুলিশের হাত থেকে অপরাধী ছাড়িয়ে আনার অভিযোগ ওঠে, তখন পুলিশ কার্যত চুপ থাকে! পুলিশ যদি সঠিক সময়ে সক্রিয় থাকে তাহলে গণধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটতনা। ইতিমধ্যে কোনোরকম ভিডিও ও অডিওগ্রাফি পদ্ধতি ছাড়া বারুইপুর কান্ডে পুলিশের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও তথাকথিত ‘ এনকাউন্টার’ও বড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে মানুষ রাস্তায় নামবে, প্রতিবাদ করবে — এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক চিত্র। সেই প্রতিবাদী কণ্ঠকে পুলিশ দিয়ে, মিথ্যা মামলা দিয়ে দমন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপি সরকারের এই আচরণ প্রমাণ করে তারা মানুষের ক্ষোভকে ভয় পাচ্ছে।
এই কারণেই তারা “গুন্ডা বিল”-এর মতো কালা কানুন এনেছে। যাতে আগামী দিনে কোনো নাগরিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে না পারে। প্রতিবাদ করলেই জেল, এই রাজনীতিই এখন বিজেপির মূল নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমরা অবিলম্বে লাহেক আলির নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। একই সঙ্গে বারুইপুর কাণ্ডের প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস আছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ চলবে।