‘হর ঘর তেরঙ্গা’ সূচনা মুখ্যমন্ত্রী রাজপথে তেরঙ্গা

Spread the love



সৌরভ দত্ত, সংবাদ আবির্ভাব,কলকাতা:
বদলের বাংলায় এই প্রথম ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচি। স্বাধীনতার মাসের এই প্রকল্প বেশ কয়েকবছর আগেই সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু এ রাজ্যে সেসময় বিরোধী দলের সরকার থাকায় ‘তেরঙ্গা যাত্রা’র মুখ দেখেননি বঙ্গবাসী। ছাব্বিশে সরকার বদলের পর ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির কার্যত মেগা সেলিব্রেশন। শুক্রবার, ৭ আগস্ট নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে তার উদ্বোধন করে দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিকেলে সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিলে বিপুল জনসমাগম। রাজপথে শুধুই ত্রিবর্ণ পতাকা। মাথা গোনার উপায় নেই। আর সেই মিছিলেরই নেতৃত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। এই মিছিলে ভবানীপুরবাসী ছাড়াও দেখা গেল শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় ,স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন ও অগণিত সাধারণ মানুষকে।

পৌঁছনোর পর বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘সার্ভে বিল্ডিং থেকে এই হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে আমরা হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি শুরু করে দিলাম। আমার সঙ্গে মিছিলে এত সমানুষ যোগ দিয়েছেন, তা দেখে আমরা আপ্লুত। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আগামী ১০ তারিখ আমরা নেতাজি মূর্তি থেকে আবার তেরঙ্গা যাত্রা করব। ৫০ হাজার মানুষকে নিয়ে ঐতিহাসিক তেরঙ্গা যাত্রা হবে। বিড়লা তারামণ্ডলের ৭ নং গেট পর্যন্ত যাব আমরা। সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘দিল সে তেরঙ্গা, প্যায়ার সে তেরঙ্গা, হর ঘর তেরঙ্গা’। এই যাত্রা জাতীয়তাবাদী, দেশপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যে আয়োজিত। বাংলায় এবার রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠিত হয়েছে। সব জনগণকে আগাম স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রবাদী অভিনন্দন।”
শুক্রবার দিনভর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে ব্যস্ত থাকতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। এদিন দুপুরে ভবানীপুরের গুরুদ্বারে যান তিনি। গেরুয়া পাগড়ি, সাদা পাঞ্জাবি-পাজামায় গুরুদ্বারে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই সেখানকার বাকি ভক্তদের মতো সেবার কাজে শামিল হন। ‘লঙ্গরে’ ভক্তদের খাবার পরিবেশন থেকে বাসন ধোয়া – সবই নিজে হাতে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে নিজেও সকলের সঙ্গে বসে ‘লঙ্গর’ খান। পরে তিনি জানান, ভবানীপুরের বিধায়ক ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এভাবে সকলের সেবার দায়িত্ব নিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *