
মোল্লা জসিমউদ্দিন,সংবাদ আবির্ভাব
সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট ইঁটভাটা সংক্রান্ত মামলায় একগুচ্ছ শর্ত সাপেক্ষ আগাম জামিন দিল বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল কে। তদন্তে সহযোগিতার শর্তে আগাম জামিনের অনুমতি দিল বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের সিঙ্গেল বেঞ্চ। ইঁটভাটা সংক্রান্ত মামলায় গত ৩০মে শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ দায়ের হয় অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে। শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।এই মামলায় আগাম জামিন পেলেন ঋতব্রত-তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে ওই মামলায় গ্রেফতারির আশঙ্কা নিয়ে নিম্ন আদালতে আগাম জামিন চেয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু তাঁর আর্জি খারিজ করে দেয় জেলা আদালত।এরপর গত ১৪ জুলাই তিনি একই আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন। অবশেষে সোমবারের শুনানিতে আগাম জামিন পেলেন অনুব্রত মণ্ডল।এদিন অনুব্রতের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ২০২১ সালের ঘটনা, অথচ ২০২৬ সালে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। রাজ্যে পরিবর্তনের প্রতিহিংসা থেকেই ওই মামলা দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে শুনানিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, এতদিন আগের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে ঠিকই। কিন্তু আদালতে অনুব্রতের মামলার তদন্ত চলবে। তাই অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আগাম জামিন মঞ্জুর করা হল।তবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ শর্ত হিসেবে জানিয়েছেন, তদন্ত চলাকালীন মামলাকারীকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। ১০ দিনের মধ্যে তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। তদন্তের জন্যে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, হাজিরা দিতে হবে। প্রসঙ্গত, অনুব্রত-সহ তৃণমূলের আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার মামলা দায়ের করেছিলেন বোলপুরের বাসিন্দা জনৈক শুভেন্দু মণ্ডল। অনুব্রতের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু শুভেন্দুর অভিযোগ তখন স্থানীয় পুলিশ শোনেনি। তাই সরকার বদল হতেই অনুব্রতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু মণ্ডল।তবে এদিন আইনী স্বস্তি পেলেন অনুব্রত।