
সংবাদ আবির্ভাব : রাজ্যের প্রথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি ফিরিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালে প্রথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির একটি মামলায় ৩২ হাজার শিক্ষক এর চাকরি বাতিল করেছিল হাইকোর্টের তৎকালীন বিচার পতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী। বুধবার সেই রায় খারিজ করেছে বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ। এই রায়ের ক্ষেত্রে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ এক শুধু অপরাধের তদন্ত চলছে বলে নিয়োগ বাতিল করা যায় না। দুই পরিকল্পনা করে অনিয়ম হলে গোটা প্রক্রিয়া বাতিল করে দেওয়া যায় কিন্তু এক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থা সেই অনিয়ম চিহ্নিত করতে পারেনি। তিন নয় বছর পর চাকরি কেড়ে নিলে ওই শিক্ষকেরা সপরিবারে বিপদে পড়বেন। চার সব শিক্ষক দুর্নীতিতে যুক্ত তা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। পাঁচ সিবিআই জানিয়েছে ঘুরপথে ২৬৪ জন এবং কম নম্বর পেয়ে ৯৬ জন চাকরি পেয়েছেন। ছয় এই পরিস্থিতিতে জালিয়াতি ও দুর্নীতির জন্য পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করা যায় না।
এই রায় প্রকাশিত হবার সাথে সাথে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতিদের ওপর আঙ্গুল উঠতে শুরু করল। কেন এর আগে ২৬ হাজার চাকরি পার্থের চাকরি চলে গেছিল। যদি তাই হবে যদি পরিবারের কথা চিন্তা করে ৩২ হাজার ছেলে মেয়ের চাকরি থেকে যেতে পারে তাহলে ২৬ হাজার ছেলেদের চাকরি থাকবে না কেন এই প্রশ্ন কিন্তু জনমানসে বিরাট চর্চা দেখা গেছে। অনেকে বলছেন পিসিকে খুশি করতেই কি এই ধরণের জঘন্য রায়? এই রায় প্রকাশিত হবার পর কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মহলের একটি বড় অংশ হতাশ এবং বিস্মিত অনেক আইনজীবী এও বলেন। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা খারিজ হয়ে যাবে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় , প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য সহ অনেকেই অভিযুক্ত। এদিনের রায়ে একটা বার্তা চলে গেল এই সমস্ত অভিযুক্তরা তাহলে কি অভিযুক্ত নয়?