ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে বিপুল আয়, দু সপ্তাহের আইনী রক্ষাকবচ পেলেন সস্ত্রীক ইন্দ্রনীল সেন

Spread the love

মোল্লা জসিমউদ্দিন, সংবাদ আবির্ভাব

দু সপ্তাহের সাময়িক আইনী স্বস্তি পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে চড়া দামে দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। বউবাজার থানায় প্রতারণার অভিযোগ এনে তাঁদের নামে এফআইআর দায়ের হয়েছিল। আগাম জামিন চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন। দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে প্রতারণার অভিযোগে বউবাজার থানায় এফআইআর দায়ের হয়। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি চলে । বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ, -‘এই মামলার তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে জমা পড়বে সেই রিপোর্ট। এমনকী, কত টাকা আদায় হয়েছে তাও জানাতে রাজ্যকে’। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে চড়া দামে দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রি করতেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন বলে। বেআইনিভাবে টিকিট বিক্রি করত মন্ত্রীর স্ত্রীয়ের সংস্থা ‘মার্স আর্ট’ বলে দাবি। এরপর ইন্দ্রনীল ও মধুছন্দার বিরুদ্ধে বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। সোমবার কোর্টে শুনানি চলছিল। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের প্রশ্ন রাজ্যকে, “কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে?”মামলাকারীর আইনজীবী জিষ্ণু সাহা বলেন, “দু’বছর ধরে মাস আর্ট চার হাজার টাকা নেয় পাস দেওয়ার জন্য। অনুমতি ছাড়াই এই সংগঠন লোগো ব্যবহার করেছে। অথচ ইউনেস্কোর নিষেধ ছিল বানিজ্যিক কারণে লোগো ব্যবহার হবে না।” তার পাল্টা উত্তরে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দার আইনজীবীর সওয়াল, “ইউনেস্কো কখনো কোনও অভিযোগ করেনি। প্রিভিউ শো-তেই শুধু ইউনেস্কো থাকত। টাকা নেওয়া হলেও টিকিটে কখনো ইউনেস্কোর লোগো ব্যবহার হয়নি।”সেই উত্তর শুনে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানান , “ডোনার পাস ইস্যু করা মানেই তো শর্ত ভেঙে কমার্শিয়াল ব্যবহার করা। আবার টাকা নেওয়া হয়েছে সেখান থেকে।” এরপর বিচারপতির নির্দেশ, তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্যকে। আগামী দু’সপ্তাহ কড়া কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে, বলে মৌখিক আশ্বাস রাজ্যের।পরবর্তী শুনানির জন্য তাকিয়ে অনেকেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *