
সংবাদ আবির্ভাব : আজ পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বের এক প্রতিনিধি দল অর্ঘ্য গণ ও কাসিফ রেজার নেতৃত্বে রাজ্যের ডেপুটি CEO ‘ দিব্যেন্দু সাহা র কাছে গিয়ে এক স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে যুব কংগ্রেসের পক্ষ থেকে
SIR শুনানির নোটিশ পাঠানোর সময় থেকে শুনানির মধ্যেকার সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।
গণনাপত্রে মোবাইল নম্বর প্রদান করা সত্ত্বেও বহু ভোটার আপনার দপ্তরের আশ্বাস অনুযায়ী এসএমএসের মাধ্যমে শুনানির নোটিস পাচ্ছেন না। এর ফলে শুনানি কেন্দ্রগুলির বাইরে অতিরিক্ত ভিড় ও দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে, যা বিশৃঙ্খলা ও চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বরিষ্ঠ নাগরিকদের জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন, যাতে তাঁদের অপ্রয়োজনীয় কষ্ট না হয়। যাঁরা অসুস্থতা ও বিভিন্ন রোগে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাড়িতে গিয়ে শুনানির ব্যবস্থা করা অথবা মোবাইল হিয়ারিং ভ্যান চালু করা উচিত।
নির্বাচন কমিশনের ত্রুটির কারণে কতজনের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি—তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও তালিকা জরুরি ভিত্তিতে প্রকাশ করা প্রয়োজন।
পশ্চিমবঙ্গকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে বিজেপির তরফে যে নোংরা রাজনীতি করা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের উচিত পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথ অনুযায়ী তথাকথিত ‘ঘুসপেটিয়া/বহিরাগত’-দের তালিকা প্রকাশ করা।
