বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

Spread the love

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ঘটনার পরিপেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা।’যাদবপুর সহ রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধ হোক’। এই দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে । বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয়েছে মামলা। আগামী বুধবার এই মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই সংক্রান্ত একটি মামলা ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে বিচারাধীন রয়েছে।তাই নতুন করে দায়ের হওয়া মামলাটি শোনা হবে নাকি দুটি একত্রে শুনানি শুরু হবে। সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি। তাই আগামী বুধবার সেই মামলাটির শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। সূত্রে প্রকাশ ওইদিনই প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বহিরাগতরা প্রবেশ করে পঠন-পাঠনের পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। পড়ুয়ারা আতঙ্কিত, সেই সমস্যার সমাধান চাইতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। বহিরাগতদের দাপাদাপির কারণে সাধারণ পড়ুয়াদের পড়াশোনা এবং শিক্ষা সংক্রান্ত স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেই মামলা দায়ের করেছেন ওই মামলাকারী। ঠিক যখন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের তাণ্ডব ও এবিভিপি বনাম বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির ঝামেলা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা । ঠিক তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত প্রবেশ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হওয়ায় শুরু হয়েছে জল্পনা।আগামী বুধবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বামপন্থী ও গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন বহিরাগতদের একটি বড় অংশ ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকে তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। উক্ত ঘটনার পর কেবল যাদবপুর নয়, গোটা রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলিতে নিরাপত্তা বিধান নিয়ে চরম প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *