মহাসমারোহে মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী পালন ‘রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি’র

Spread the love

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার সন্ধেবেলায় গিরিশ পার্ক সংলগ্ন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির পাঠাগার কক্ষে মহাসমারোহে পালিত হলো মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালন।’আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা…” – সমবেত কণ্ঠে বিশ্বকবির গানে চারিদিক মুখরিত করে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রূপালী পর্দার কিংবদন্তি নায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিবেদন করল এক আনন্দঘন স্মরণসন্ধ্যা তাদের লাইব্রেরি ঘরে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোটগল্প উপন্যাস ইত্যাদি অবলম্বনে নির্মিত বেশ কিছু ছায়াছবিতে উত্তমকুমার তাঁর অসামান্য অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ করে রেখেছেন আপামর বাঙালিকে তাঁর সমকালীন সময়ে এবং তার রেশ বর্তমান সময়েও বহমান সেই ধারায়। বাংলা সিনেমা জগতে রোমান্টিক অভিনয় ও ধ্রুপদি কেতায় খ্যাতিমান নায়ক রূপে তাঁর ক্রম উত্তরণ, বিশ্লেষণ এবং বাংলা সিনেমায় রবীন্দ্রসংগীতের সূচনা, প্রচলন ব্যবহার ইত্যাদি নিয়ে কথায় ও গানে একটি সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দিল সোসাইটি কর্তৃপক্ষ।সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের প্রাক্ ভাষণ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন প্রামাণিক স্বল্পচিত্র নির্মাতা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মুজিবর রহমান। বিশ্বকবির রচনা ভিত্তিক নির্মিত বিভিন্ন ছায়াছবিতে উত্তমকুমারের ঠোঁট মেলানো গানগুলি এবং অন্যান্য সিনেমায় ব্যবহৃত সেইরকম গানগুলি গেয়ে শোনান সোসাইটির সংগীতশিল্পীবৃন্দ। গানে গানে ছিলেন দেবাশিস দত্ত, হিমাদ্রী মুখার্জী, জয়শ্রী দে, ললিতা সিনহা, সুপ্রিয় চ‍্যাটার্জী, তন্দ্রিমা দত্ত। কবিগুরুর গানে নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন জিনিয়া ঘটক, কৌশিক ঘোষ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা সহ গানগুলির বিস্তারিত আলোচনা করেন সোমা সরকার ও সুমিত অধিকারী। সুন্দর ব্যবস্থাপনা এবং সুদক্ষ পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে দাঁড়ায় শ্রুতিমধুর। শেষলগ্নে সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘটে।

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার সন্ধেবেলায় গিরিশ পার্ক সংলগ্ন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির পাঠাগার কক্ষে মহাসমারোহে পালিত হলো মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালন।’আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা…” – সমবেত কণ্ঠে বিশ্বকবির গানে চারিদিক মুখরিত করে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রূপালী পর্দার কিংবদন্তি নায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিবেদন করল এক আনন্দঘন স্মরণসন্ধ্যা তাদের লাইব্রেরি ঘরে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোটগল্প উপন্যাস ইত্যাদি অবলম্বনে নির্মিত বেশ কিছু ছায়াছবিতে উত্তমকুমার তাঁর অসামান্য অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ করে রেখেছেন আপামর বাঙালিকে তাঁর সমকালীন সময়ে এবং তার রেশ বর্তমান সময়েও বহমান সেই ধারায়। বাংলা সিনেমা জগতে রোমান্টিক অভিনয় ও ধ্রুপদি কেতায় খ্যাতিমান নায়ক রূপে তাঁর ক্রম উত্তরণ, বিশ্লেষণ এবং বাংলা সিনেমায় রবীন্দ্রসংগীতের সূচনা, প্রচলন ব্যবহার ইত্যাদি নিয়ে কথায় ও গানে একটি সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দিল সোসাইটি কর্তৃপক্ষ।সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের প্রাক্ ভাষণ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন প্রামাণিক স্বল্পচিত্র নির্মাতা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মুজিবর রহমান। বিশ্বকবির রচনা ভিত্তিক নির্মিত বিভিন্ন ছায়াছবিতে উত্তমকুমারের ঠোঁট মেলানো গানগুলি এবং অন্যান্য সিনেমায় ব্যবহৃত সেইরকম গানগুলি গেয়ে শোনান সোসাইটির সংগীতশিল্পীবৃন্দ। গানে গানে ছিলেন দেবাশিস দত্ত, হিমাদ্রী মুখার্জী, জয়শ্রী দে, ললিতা সিনহা, সুপ্রিয় চ‍্যাটার্জী, তন্দ্রিমা দত্ত। কবিগুরুর গানে নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন জিনিয়া ঘটক, কৌশিক ঘোষ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা সহ গানগুলির বিস্তারিত আলোচনা করেন সোমা সরকার ও সুমিত অধিকারী। সুন্দর ব্যবস্থাপনা এবং সুদক্ষ পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে দাঁড়ায় শ্রুতিমধুর। শেষলগ্নে সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *